Head Of The Department
Ambia Akter
E-mail:
ambiaakter975@gmail.com
Contact: 01734033583
ভূমিকা
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং একটি বিস্ময়কর টেকনোলজি। সময়ের বিবর্তনে এর চাহিদা অনেক বেশি।
দেশ-বিদেশে গগনচুম্বি ইমারত, চমৎকার রাস্তাঘাট, মন ভোলানো ডুপ্লেক্স বাড়ী - এসবের
পিছনে রয়েছে দক্ষ সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের অবদান। বর্তমানে বাংলাদেশ কারিগরি
শিক্ষাবোর্ড ৪ বছর মেয়াদী যে কারিকুলাম সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য পাঠদান করছে তার
গুরুত্ব ও তাৎপর্য অনেক বেশী। এই কারিকুলাম অনুয়ায়ী যদি সঠিক শিক্ষা প্রদান করা যায়
তাহলে কোন শিক্ষার্থীই বেকার থাকার কথা নয় । সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং টেকনোলজিতে লেখাপড়া
করে কোন ইঞ্জিনিয়ার বেকার আছে এমন ইতিহাস বাংলাদেশে কম।
চাকরির ক্ষেত্র
দেশে ও বিদেশে সরকারী / বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিদ্যুৎ
উন্নয়ন বোর্ড, পানি উন্নযন বোর্ড, টি এন্ড টি, সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, বাংলাদেশ
রেলওয়ে, পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, মোবাইল ফোন কোম্পানির
টাওয়ার নির্মাণে প্রকৌশলী, এনজিও তে প্রকল্প প্রকৌশলী হিসেবে বিভিন্ন কন্সট্রাকশন
ফার্মে এবং নিজস্ব নির্মাণে ব্যবসা প্রতিষ্ঠায় শিক্ষার্থীর ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ
আছে। পদসমূহ: সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং করার পর একজন ছাত্র/ছাত্রী যে সমস্ত পদে অধিষ্ঠিত
হতে পারেন সেগুলো হলো প্রধান প্রকৌশলী, প্রকৌশলী, সহকারী প্রকৌশলী, সাব-এসিস্টেন্ট
ইঞ্জিনিয়ার, টেকনিশিয়ান, ল্যাব-টেকনিশিয়ান, প্রধান ইন্সট্রাক্টর, সহকারী
ইন্সট্রাক্টর, জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর এবং অন্যান্য।
শিক্ষা এবং পরীক্ষা পদ্ধতি
ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাক্রম সর্বমোট ৪ বছর মেয়াদী এবং ৮ সেমিষ্টার
ভিত্তিক। প্রতি ৬ মাস পর পর বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে সেমিষ্টার
ফাইনাল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ৮ম সেমিষ্টার হচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য
ইন্ডাষ্ট্রিয়াল ট্রেনিং সেমিষ্টার। এছাড়াও ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়মিত ক্লাস টেষ্ট,
কুইজ টেষ্ট, বিতর্ক প্রতিযোগিতা এবং অন্যান্য সমাজ সচেতনতা মূলক অনুষ্টানে অংশগ্রহণ
করতে হয়। সফলতার সাথে কোর্স সম্পন্ন করার পর শিক্ষার্থীগণ বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা
বোর্ড কর্তৃক ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং সনদপত্র লাভ করবেন।
Wifi
Well Lab
Low Cost
Hostel
Up to 50% Waiver
Rich Library